ek44 শুধু একটি অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটি লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশির বিশ্বাস, আনন্দ এবং জয়ের গল্পের সাথী। আমরা কারা, কেন এই যাত্রা শুরু করেছিলাম এবং আমাদের প্রতিশ্রুতি কী — সেই পরিচয়টাই এখানে তুলে ধরছি।
ek44 প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি সহজ বিশ্বাস থেকে — বাংলাদেশের মানুষ যদি বিশ্বমানের অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য হন, তাহলে সেটা তাদের নিজের ভাষায়, নিজেদের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং তাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সাথে মিলিয়ে দেওয়া উচিত। ২০১৮ সালে যখন ek44-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল, তখন বাংলাদেশে এই ধরনের প্ল্যাটফর্মের অভাব ছিল স্পষ্ট। বেশিরভাগ ইন্টারফেস ছিল ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি ছিল জটিল এবং স্থানীয় খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে কিছু তৈরিই হয়নি।
ek44-এর প্রতিষ্ঠাতা দলটি ছিলেন মূলত তরুণ বাংলাদেশি প্রযুক্তিবিদ ও গেমিং বিশেষজ্ঞ, যারা নিজেরাই এই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন। তারা সিদ্ধান্ত নিলেন — বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশিদের হাতে তৈরি একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে হবে। সেই স্বপ্ন থেকেই ek44-এর জন্ম।
আজ সাত বছর পরে ek44 বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। ৫০ লাখেরও বেশি সদস্য, ২০০-এর বেশি গেম ও বিভাগ এবং ৳৫০০ কোটির বেশি পেআউট — এই সংখ্যাগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয়, এগুলো প্রতিটি সদস্যের আস্থার প্রতিফলন।
ek44 কখনোই শুধু মুনাফার পেছনে ছোটেনি। আমাদের দলের প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে একটাই প্রশ্ন — এটা কি আমাদের সদস্যদের জন্য সেরা? এই মানসিকতাই আমাদের প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করে রাখে এবং সদস্যরা বছরের পর বছর ধরে ek44-এর সাথে থেকে যান।
কেন লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি ek44-কে বেছে নেন — এখানে তার কারণগুলো সংক্ষেপে
ek44-এর ইন্টারফেস সম্পূর্ণ বাংলায় ডিজাইন করা — নিবন্ধন থেকে উইথড্রয়াল, প্রতিটি ধাপ মাতৃভাষায়। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য এটি সবচেয়ে স্বাভাবিক অভিজ্ঞতা। কোনো ভাষার বাধা নেই, কোনো বিভ্রান্তি নেই।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন — ek44 সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই তৈরি। যেকোনো Android বা iOS ডিভাইসে ঝটঝটে কাজ করে, ধীর ইন্টারনেটেও সমস্যা নেই। অ্যাপ ছাড়াও ব্রাউজারেই পুরো সুবিধা।
bKash, Nagad — বাংলাদেশিরা যে পেমেন্ট পদ্ধতিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, ek44 সেগুলোই সমর্থন করে। ডিপোজিট বা উইথড্রয়াল — সবকিছু মুহূর্তের মধ্যে। কোনো আন্তর্জাতিক কার্ডের ঝামেলা নেই।
ek44-এর প্রতিটি গেম সার্টিফাইড RNG প্রযুক্তিতে পরিচালিত। SSL এনক্রিপশন, দুই স্তরের যাচাইকরণ এবং আন্তর্জাতিক অডিটের মাধ্যমে প্রতিটি লেনদেন সুরক্ষিত। আপনার তথ্য এবং অর্থ — দুটোই নিরাপদ।
ek44-এর কাস্টমার সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে, বাংলা বোঝে এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সচেতন। রাত ৩টায় কোনো সমস্যা হলেও লাইভ চ্যাট বা কলে সমাধান পাবেন — দিনরাত ২৪ ঘণ্টা।
ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবস — বাংলাদেশের প্রতিটি উৎসবে ek44 বিশেষ বোনাস নিয়ে আসে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, আনন্দের দিনগুলো আরও আনন্দময় হওয়া উচিত।
আমাদের মিশন হলো বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে — ঢাকা থেকে বান্দরবান, সিলেট থেকে বরিশাল — প্রতিটি মানুষের কাছে বিশ্বমানের নিরাপদ ও বিনোদনমূলক গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া।
আমাদের ভিশন হলো ek44-কে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং খেলোয়াড়-বান্ধব অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা, যেখানে প্রযুক্তি, বিশ্বাস এবং বিনোদন একসাথে চলে।
"আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে ek44 সবসময় স্বচ্ছ থাকবে, ন্যায্য থাকবে এবং আমাদের সদস্যদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে। এটি শুধু ব্যবসা নয় — এটি একটি দায়িত্ব।"
ek44 একটি সম্প্রদায় গড়ে তুলেছে যেখানে সদস্যরা একে অপরকে সাহায্য করেন।
আমরা বিশ্বাস করি দায়িত্বশীল গেমিং সবচেয়ে আনন্দদায়ক গেমিং।
ছোট একটি স্বপ্ন থেকে শুরু হয়ে ek44 আজ কোথায় পৌঁছেছে
একটি ছোট্ট টিম নিয়ে ek44-এর যাত্রা শুরু। প্রথম দিন মাত্র ৫০০ সদস্য ছিলেন। লক্ষ্য একটাই — বাংলাদেশিদের জন্য বাংলাদেশি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। প্রথম বছরেই bKash পেমেন্ট চালু করে সাড়া ফেলা হয়।
বাংলাদেশে ক্রিকেটের অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে স্পোর্টস বেটিং বিভাগ চালু করা হয়। বিশ্বকাপ মৌসুমে সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায় এবং সার্ভার ক্যাপাসিটি তিনগুণ বাড়ানো হয়।
লাইভ ডিলার ক্যাসিনো বিভাগ চালু করা হয়, যেখানে বাস্তব সময়ে পেশাদার ডিলারের সাথে খেলার সুবিধা। একই বছর VIP প্রোগ্রামের সূচনা, যা সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
ek44-এর নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ, প্রথম সপ্তাহেই ১০ লাখ ডাউনলোড। Nagad পেমেন্ট যোগ হওয়ায় বাংলাদেশের আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়। সদস্য সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়ায়।
ek44-এর লটারি বিভাগ চালু হয়। প্রথম মেগা জ্যাকপটে একজন ঢাকার সদস্য ৳৩ কোটি জেতেন। বিশ্বকাপ স্পেশাল টুর্নামেন্টে ৫ লাখের বেশি অংশগ্রহণ। ঐ বছর মোট পেআউট ১০০ কোটি ছাড়ায়।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে সদস্যদের ব্যক্তিগতকৃত অভিজ্ঞতা দেওয়া শুরু হয়। ek44-কে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গেমিং প্ল্যাটফর্মের পুরস্কার দেওয়া হয়। সদস্য সংখ্যা ৫০ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
ek44-এর সর্বকালের সেরা পেআউট রেকর্ড, সবচেয়ে বড় VIP প্রোগ্রাম এবং বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি লাইভ স্পোর্টস কভারেজ। প্রতিটি পদক্ষেপে একটাই লক্ষ্য — আপনার অভিজ্ঞতা আরও ভালো করা।
ek44-এর প্রতিটি সিদ্ধান্ত এই মূল্যবোধের উপর দাঁড়িয়ে
আমরা যা বলি তা করি। প্রতিটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা ek44-এর পরিচয়ের অংশ।
আমাদের নিয়ম, শর্ত, অডস ও পেআউট হার — সব তথ্য সদস্যদের কাছে খোলামেলা।
প্রযুক্তি ও গেমিং অভিজ্ঞতায় ek44 সবসময় এগিয়ে থাকার চেষ্টা করে।
দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের কাছে শুধু নীতি নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি।
আমাদের নেতৃত্ব দলের সাথে পরিচিত হন — বাংলাদেশি প্রযুক্তি ও গেমিং জগতের অভিজ্ঞ মুখ
ek44 আন্তর্জাতিক গেমিং মানদণ্ড মেনে চলে এবং স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের দ্বারা নিয়মিত অডিট করা হয়। আমাদের লাইসেন্স, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ন্যায্য খেলার নীতি সম্পর্কে আমরা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ।
ek44 বিশ্বাস করে যে গেমিং বিনোদনের একটি উপায় হওয়া উচিত, দুশ্চিন্তার কারণ নয়। এই কারণেই আমরা দায়িত্বশীল গেমিংকে আমাদের ব্যবসার কেন্দ্রে রেখেছি।
আমাদের প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং ব্রেক নেওয়ার সুবিধা রয়েছে। আমাদের সাপোর্ট টিম যেকোনো উদ্বেগে সাহায্য করতে সবসময় প্রস্তুত।
ek44-এর সাথে যারা সাত বছর ধরে আছেন, তারা জানেন যে আমরা কখনোই থেমে থাকিনি। প্রতি বছর নতুন বিভাগ, নতুন সুবিধা এবং নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আমরা এসেছি। আগামী দিনগুলোতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
আমরা বিশ্বাস করি যে প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে আরও আনন্দময় করতে পারে। ek44-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত পার্সোনালাইজেশন সিস্টেম ইতোমধ্যে সদস্যদের পছন্দ অনুযায়ী কাস্টম অফার তৈরি করছে। আগামী বছরে আমরা আরও উন্নত প্রযুক্তি আনতে চলেছি যা আপনার গেমিং অভিজ্ঞতাকে আরও ব্যক্তিগত করে তুলবে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের সদস্যদের সাথে কথা বলে আমরা বুঝেছি যে তাদের চাহিদা আলাদা। ঢাকার একজন তরুণ হয়তো ই-স্পোর্টসে আগ্রহী, সিলেটের একজন চা-বাগান কর্মী হয়তো সাপ্তাহিক লটারি উপভোগ করেন, আবার চট্টগ্রামের একজন ব্যবসায়ী হয়তো ক্রিকেট বেটিংয়ে নিয়মিত। ek44 এই সবার জন্য আলাদাভাবে কাজ করে।
সবশেষে একটাই কথা বলতে চাই — ek44-এর সাফল্য আমাদের নয়, এটা আপনাদের। আপনারাই আমাদের শক্তি, আপনারাই আমাদের অনুপ্রেরণা। যতদিন আপনারা আমাদের সাথে থাকবেন, ততদিন আমরা আরও ভালো হওয়ার চেষ্টা করে যাবো।
৫০ লাখ সদস্যের বিশ্বাসের প্ল্যাটফর্মে আপনাকে স্বাগত জানাতে আমরা সবসময় প্রস্তুত। বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন এবং স্বাগত বোনাস দিয়ে যাত্রা শুরু করুন।